
অর্থনীতি ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চায় বাংলাদেশ। তবে যে কোনো সমস্যা সমাধানে প্রাধান্য পাবে নিজ দেশের স্বার্থ-এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। একই অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আধিপত্যের বাইরে গিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানো ছিলো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন। সে পথে হাঁটতে থাকা তার সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেত্বত্বে আশাবাদী তিনি।
ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে ভেবে চিন্তে এগোচ্ছে সরকার। স্বার্থ নষ্ট হয় এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে চায় না বাংলাদেশ। জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) আলোচনায় উঠে আসে তার স্বাধীন কূটনীতি প্রসঙ্গ।
এ অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি ও ভূরাজনৈতিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব দেশের সঙ্গেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চায় বাংলাদেশ। তবে সমস্যা সমাধানে নিজেদের শর্তকে প্রাধান্য দেয়া হবে।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আধিপত্যের বাইরে গিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোই ছিলো জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন। সে পথে হাঁটতে তারেক রহমানের নেত্বত্বে আশাবাদী।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে যেভাবে দেখতে চায় বাংলাদেশের মানুষ দেশকে সমস্ত প্রভাবের বাইরে, আধিপত্যের বাইরে। মানে আমরা নিজেরা নিজেদের পায়ে দাঁড়াবো। সবার সাথে মিত্রতা তৈরি করার চেষ্টা করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়া এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তিনি সফল হয়েছেন। সেই সফলতা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তিনি তার বিভিন্ন যে কর্মসূচিগুলো ঘোষণা করছেন, বক্তব্য রাখছেন এবং কাজ করছেন তার মধ্যে আমরা জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই।
উদার গণতান্ত্রিক দল হওয়ায় গত নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে জয়ী করেছে বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে, ১৯৭৬ থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত বিভিন্ন পত্রিকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মমুখর সময়ের প্রতিবেদনের প্রদর্শনীতে যোগ দেন সরকারের দুই মন্ত্রী।
আমার বার্তা/এমই

