
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফরম্যাটে পরিবর্তন এনেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় অনুষ্ঠিত আইসিসি বোর্ডের বার্ষিক সভায় এসব সিদ্ধান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সহযোগী সদস্য দেশগুলোর তিনজন প্রতিনিধিসহ বোর্ড প্রধান নির্বাহীদের কমিটির (সিইসি) সুপারিশ বিবেচনা করে নতুন ফরম্যাট চূড়ান্ত করেছে।
ওয়ানডে বিশ্বকাপের নতুন ফরম্যাট যেভাবে হবে
আইসিসির নতুন অনুমোদিত ফরম্যাটে ১৪টি দল অংশ নেবে। সর্বশেষ দুই আসর ২০১৯ ও ২০২৩ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল ১০টি দল। এর আগে ২০১৫ বিশ্বকাপেও খেলেছিল ১৪টি দল।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী টুর্নামেন্ট শুরু হবে রাউন্ড-১ দিয়ে। এই পর্বে র্যাঙ্কিংয়ের ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর দল একে অপরের বিপক্ষে খেলবে। এই তিন দলের মধ্যে শীর্ষ দল পরবর্তী ধাপে যাবে।
এরপর রাউন্ড-২-এ থাকবে মোট ১২টি দল। এগুলোকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ছয়টি করে দল।
দুই গ্রুপের শীর্ষ তিনটি করে মোট ছয়টি দল, পাশাপাশি দুই গ্রুপ মিলিয়ে পরবর্তী সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা একটি দলসহ মোট সাতটি দল উঠবে সুপার সেভেন পর্বে।
আগের ফরম্যাটে যেখানে ছিল 'সুপার সিক্স', সেখানে এবার চালু হচ্ছে 'সুপার সেভেন'। এই পর্বে সাতটি দল রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে একে অপরের মুখোমুখি হবে। আইসিসির মতে, প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
সুপার সেভেন শেষে শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালে উঠবে। তার পর ফাইনাল।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও পরিবর্তন
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফরম্যাটেও বড় পরিবর্তন এনেছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলো, দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেওয়া দলের সংখ্যা ৮ থেকে বাড়িয়ে ১০ করা হয়েছে।
নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের শুরুতে ২০টি দলকে পাঁচটি গ্রুপে ভাগ করা হবে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে চারটি করে দল। আগের ফরম্যাটে চারটি গ্রুপে পাঁচটি করে দল খেলত।
প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি দল দ্বিতীয় পর্বে উঠবে। ফলে মোট ১০টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে 'সুপার টেন' পর্ব, যা আগের 'সুপার এইট'-এর পরিবর্তে চালু হচ্ছে। দুই গ্রুপের শীর্ষ দল সরাসরি সেমিফাইনালে উঠে যাবে।
আমার বার্তা/এমই

