ই-পেপার রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

রাজনৈতিক পরিবেশ ও মতামত প্রকাশে উন্নতি, তবে সীমিত সংস্কারে যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ

আমার বার্তা অনলাইন:
১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:৩০

২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল ও সামগ্রিকভাবে উন্নত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (হোম অফিস) নতুন এক প্রতিবেদনে এ অভিমত দেওয়া হয়েছে।

গত ১৪ অক্টোবর ‘রিপোর্ট অব আ ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন বাংলাদেশ: পলিটিক্যাল সিচুয়েশন, অক্টোবর ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে ব্রিটিশ হোম অফিস। বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি জানতে সংস্থাটির কান্ট্রি পলিসি অ্যান্ড ইনফরমেশন টিমের (সিপিআইটি) তিন কর্মকর্তা গত ৭ থেকে ১৫ জুন ঢাকা সফর করেন। তাঁরা মানবাধিকার সংগঠন, রাজনৈতিক দল, আইনজীবী, গবেষক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তার ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক, নাগরিক সমাজের সংগঠন ও মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো জানিয়েছে, আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের তুলনায় এখন তারা বেশি স্বাধীনভাবে কাজ করতে, নিজেদের মত প্রকাশ করতে এবং জনপরিসরে বিতর্কে অংশ নিতে পারছে। তবে দুর্নীতি, পুলিশের জবাবদিহি ও কার্যকারিতা এবং গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রস্তাবিত ব্যাপক সংস্কারগুলোর সীমিত বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।

জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক গোষ্ঠী সভা-সমাবেশ করতে, প্রচার চালাতে, প্রতিবাদ জানাতে এবং সরকারের সমালোচনা করতে পারছে। রাজনৈতিক সহিংসতা এখনো ঘটছে। তবে তা সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রভাব, ব্যবসায়িক স্বার্থ, সম্পদ ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত। বিভিন্ন সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নির্বাচন মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ ছিল এবং আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় সহিংসতা অনেক কম হয়েছে। নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সহিংসতাও কমেছে।

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতায় থাকার সময় তাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর কারণে দলটি সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে এখনো বিরূপ মনোভাব রয়েছে। দুর্নীতি, সহিংসতা বা দমন-পীড়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না—এমন সাধারণ পর্যায়ের আওয়ামী লীগ সমর্থকেরা সাধারণত নিজেদের এলাকায় থাকতে পারছেন বলে জানা গেছে। তবে প্রকাশ্যে দলটির প্রতি সমর্থন জানালে তাঁরা হয়রানি বা সহিংসতার মুখে পড়তে পারেন। আওয়ামী লীগের কিছু নেতা-কর্মী অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছেন, দেশের ভেতরে অন্য এলাকায় চলে গেছেন অথবা দেশ ছেড়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বেশির ভাগ মানুষ মুক্তি পেয়েছেন এবং অধিকাংশ মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশের সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা মিথ্যা অভিযোগে করা ২১ হাজারের বেশি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুরোনো মামলাগুলো পর্যালোচনার কাজ এখনো চলছে।

সাবেক সরকারের সময় এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের বিক্ষোভ চলাকালে সংঘটিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক রাজনীতিক, কর্মী ও কর্মকর্তা এখনো ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি। এসব মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) এবং সাধারণ আদালত—দুই জায়গাতেই চলছে। কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আটক অন্যরা বিচার শেষ হওয়ার অপেক্ষায়।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ অনেকের সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হয়েছে। তাঁরা রাজনীতি, মানবাধিকারসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন।

দুর্নীতির মামলায় বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান কাতারে গ্রেফতার

দুর্নীতির মামলার আসামি বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান কাতারে গ্রেফতার হয়েছেন।

প্রেস ক্লাবের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে উন্নয়ন করতে হবে: সড়কমন্ত্রী

জাতীয় প্রেস ক্লাবের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি এর ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ন রাখতে হবে বলে

যুব উন্নয়নের আলোচিত নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত হওয়ার পর পুনরায় নেওয়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী উপজেলা

মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক হোসেন

রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় ব্যক্তিগত লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দুর্নীতির মামলায় বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান কাতারে গ্রেফতার

রাজনৈতিক পরিবেশ ও মতামত প্রকাশে উন্নতি, তবে সীমিত সংস্কারে যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ

প্রেস ক্লাবের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে উন্নয়ন করতে হবে: সড়কমন্ত্রী

বাগেরহাটে ভাড়া বাসায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

যুব উন্নয়নের আলোচিত নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ

তৃণমূল স্তরে স্তন ক্যান্সার স্ক্রিনিং চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ৭৫ ফিলিস্তিনির মরদেহ, একসঙ্গে পড়া হচ্ছে জানাজা

বিএনপি অফিসে হামলা: পল্টন থানার মামলায় সুলতান মনসুর গ্রেফতার

মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ব্যাখ্যা দিলেন ইশরাক হোসেন

সওজের ছাদে বড় চমক, উৎপাদন হবে বিপুল বিদ্যুৎ

বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিশ্বে আর কোথাও নেই: রাষ্ট্রপতি

‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’ উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী

রান্নার সরঞ্জামে লুকানো ৫৬৬ গ্রাম সোনা, ধরা পড়লো শাহ আমানত বিমানবন্দরে

মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন: রিজভী

শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের শ্রদ্ধা

সেনাসদস্যদের জন্য ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন: প্রধানমন্ত্রী

লালমনিরহাট সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ

তৃণমূল ক্রিকেটে অবদান, ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মিঠু

বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে নিখোঁজ, এক দিন পর মিলল শিশুর মরদেহ

ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, গ্রেপ্তার হাজারের বেশি