
ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই কৃষি উন্নয়নে খাল খননের কোনো বিকল্প নেই বলে মত দিয়েছেন কৃষিবিদ ও কৃষি কর্মকর্তারা। তাদের মতে, খাল খননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর হওয়ার পাশাপাশি শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হয়। এতে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমে এবং এক ফসলি জমি দুই বা তিন ফসলি জমিতে রূপ নেয়। ফলে সামগ্রিকভাবে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
বুধবার কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ হলে আয়োজিত ‘টেকসই কৃষি উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে খাল খননের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। আঞ্চলিক কৃষি তথ্য সার্ভিস, কুমিল্লা এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক কৃষিবিদ মসীহুর রহমান। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও খাল খননের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
এই কার্যক্রম সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আজিজুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, কুমিল্লার সরেজমিন বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জামাল উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য দেন আঞ্চলিক কৃষি তথ্য কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন।
সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান, চাঁদপুরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবু তাহের, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপ-পরিচালক ড. মোস্তফা এমরান হোসেন, জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা রেজাউল করিম ভূঁইয়া, পার্টনার প্রোগ্রামের কুমিল্লা অঞ্চলের মনিটরিং কর্মকর্তা মো. সারোয়ার জামান, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক শেখ আজিজুর রহমান ও জুয়েল সরকার, দেবিদ্বার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বানিন রায়, কসবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আয়শা আক্তার এবং লাকসাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আল আমিন।
অনুষ্ঠানে ‘কৃষিকথা’ ম্যাগাজিনের প্রচারে অবদান রাখায় চারজনকে সম্মাননা দেওয়া হয়। যুগ্মভাবে প্রথম হন দেবিদ্বার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বানিন রায় ও কসবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আয়শা আক্তার।
দ্বিতীয় হন নবীনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন এবং তৃতীয় হন বুড়িচং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আফরিণা আক্তার।

