
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সচল রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার মতামতের ভিত্তিতেই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় পরবর্তী করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পুরো বিশ্ব একটি জ্বালানি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। তবে এই সংকট থেকে জনগণকে রক্ষা করতে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ বিষয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ক্লাসের সময় কমানো, জানালা খুলে রাখা, আলো কম ব্যবহার করা এবং যেখানে এয়ার কন্ডিশন ব্যবহৃত হয় তা সীমিত করার মতো বিভিন্ন প্রস্তাব ইতিমধ্যে এসেছে। এসব বিষয়ে আরও মতামত নিতে চান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষাব্যবস্থা সচল রাখতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে বাস্তবসম্মত সমাধান সংগ্রহ করা হবে। এসব প্রস্তাব পর্যালোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। সরকার আলাদা, জনগণ আলাদা—এমন নয়। আপনারা ভোট দিয়ে আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন, আমরা আপনাদের কাছে জবাবদিহি করি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অনুরোধ করছি যেন, প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কীভাবে শিক্ষার মান বজায় রেখে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা যায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে চলমান সংকট মোকাবিলা করে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া।
আমার বার্তা/এমই

