
সাবেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সদ্য সাবেক বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি হাসান মামুন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দীর্ঘ ৩৪ বছরের রাজনৈতিক ত্যাগ, সংগ্রাম ও আত্মনিবেদনকে ভিত্তি করে তিনি এবার সরাসরি জনগণের রায়ে নির্বাচিত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির মাঠে সক্রিয় ছিলেন হাসান মামুন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়ে ছাত্রদলের নেতৃত্বে তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতেও তার অবস্থান দৃঢ় হয়েছে। দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা, মামলা-হামলা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আপসহীন থাকার কারণে তিনি তৃণমূল পর্যায়ে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিগণিত হয়েছেন।
পটুয়াখালী-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার ঘোষণার পর থেকেই গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলায় রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক, ব্যক্তিগত সততা এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে হাসান মামুন এই আসনে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।
বিশেষ করে গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলার বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী প্রকাশ্যে তার বিজয় কামনা করছেন। তাদের মতে, দলের জন্য আজীবন কাজ করা একজন পরীক্ষিত নেতাকে ভোটের মাধ্যমে সংসদে পাঠানোই হবে তার ত্যাগের যথার্থ স্বীকৃতি।
নেতাকর্মীরা আরও উল্লেখ করেছেন, হাসান মামুন সবসময় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং এলাকার অবহেলিত মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ছিলেন। নির্বাচিত হলে তিনি পটুয়াখালী-৩ আসনকে জনবান্ধব ও উন্নয়নমুখী সংসদীয় এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি রাখবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের ইতিহাসকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-৩ আসনে হাসান মামুনের স্বতন্ত্র প্রার্থিতা ইতোমধ্যেই ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

