
প্রায় দেড় দিন সুযোগ থাকলেও আফগানিস্তানকে চতুর্থ ইনিংসে অলআউট করতে পারেনি বাংলাদেশ। ফলে নিশ্চিত জয়ের সুযোগ হারিয়ে ম্যাচটি ড্র হয়েছে। এই ম্যাচে বাংলাদেশি ফিল্ডারদের ক্যাচ মিস ও ফিল্ডিংয়ে দুর্বলতা ছিল স্পষ্ট। আবুধাবি টেস্ট শেষে হতাশা প্রকাশ করলেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ক্যাচ মিসকে ‘স্বাভাবিক’ দৃষ্টিতে দেখিয়েছেন!
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘ক্যাচ মিস! এগুলো হবেই। কেউ তো ইচ্ছা করে করে না। সবাই চেষ্টা করে অনুশীলনে। এগুলো হবে। তবে যদি ভালো দল হতে চান, ম্যাচ জিততে চান, তাহলে এসব সুযোগ নেওয়া শিখতে হবে। চা বিরতির পর আরও ৩-৪ উইকেট নেওয়ার অভিজ্ঞতা আমাদের খুবই কম। এটাও শেখার জায়গা যে এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে আমরা আরও উইকেট নিতে পারি।’
ম্যাচের ফলাফল নিয়েও হতাশা ঝরেছে শান্ত’র কণ্ঠে, ‘(ম্যাচ জিততে না পারা) অবশ্যই একটু তো হতাশাজনক। তবে বলব না যে আমরা খুব খারাপ ক্রিকেট খেলেছি। বিশেষ করে আজকে বোলাররা যেভাবে কষ্ট করেছে, এই গরমে।’
আফগানদের সঙ্গে ড্রয়ের ম্যাচে দুই ইনিংসেই পঞ্চাশোর্ধ রান (৫৩ ও ১০৩) ও ৯টি ডিসমিসাল করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন লিটন কুমার দাস। টেস্ট ইতিহাসে এমন নজির কারও নেই। লিটনের প্রশংসায় শান্ত বলেন, ‘লিটন ভাই যেভাবে খেলেছে এই ম্যাচ। দারুণ দুটি ইনিংসের সঙ্গে এত লম্বা সময় কিপিং করা, ৯-১০টা ডিসমিসালও ছিল। দারুণ কামব্যাক, (আগের) ৩ ইনিংসে ভালো করতে না পারার পর এভাবে ফিরে আসা দারুণ ছিল।’
স্পিনার নাঈম হাসানের কম ওভার করা নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক জানান, ‘হাসান(মাহমুদ)-এবাদত (হোসেন চৌধুরী) অনেক বল করেছে। প্রথমে কন্ডিশন দেখে মনে হয়নি পেসাররা এত লম্বা সময় বল করবে। সে তুলনায় নাঈমের বোলিং একটু কম হয়েছে। (মেহেদী হাসান) মিরাজ এবং তাইজুল (ইসলাম) ভাই ভালো করেছে। সেখানে নাঈম একটু আনলাকি ছিল। তবে নাঈম যখনই এসেছে তার সেরাটা দিয়েছে।’

