
জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ১০টি আসনে ছাড় দিতে রাজি হয়েছে জামায়াতে ইসলামী—এমন খবরকে ‘কাল্পনিক’ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
বুধবার (০৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আবদুল্লাহ তাহের এসব কথা বলেন।
এর আগে সকালে জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি।
বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ তাহের অভিযোগ করে বলেন, ‘এক-দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে সরকার এবং আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যারা আছে সেনাবাহিনীসহ—যেভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং প্রশাসন যেভাবে একটা দলের আনুগত্য দেখাচ্ছে, এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে আগামী নির্বাচনটি আবার পাতানো নির্বাচন হবে কি না। আমরা মনে করি, পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। আমরা নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং অল আদার ইনভল্ভ অথরিটির কাছে আবেদন করি, তারা যেন এখনই এ ব্যাপারে নিরপেক্ষ হয় এবং বাংলাদেশকে সেভ (রক্ষা) করার জন্য তারা ভূমিকা পালন করে।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তাহের বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, তারা এই নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক পাঠাবে। আমরা বিষয়টিকে স্বাগত জানাই বলেছি।’
সৈয়দ তাহের বলেন, ‘জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কী করবে সেটা জানতে চেয়েছেন তাঁরা। আমরা বলেছি, ক্ষমতায় গেলে দেশি-বিদেশি সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেব। আমাদের লক্ষ্য হবে আন্তর্জাতিক সহায়তায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখা।’
আমার বার্তা/জেএইচ

