রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ 

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:১২ | অনলাইন সংস্করণ

  বিশেষ প্রতিবেদক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য-বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়ে।

পাশাপাশি এলডিসি থেকে উত্তরণে সময় বাড়ানোর বিষয়ে সদস্য দেশগুলোর কাছ থেকে সমর্থন আদায়ের বিষয়টিও তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্‌দী আমিন এসব তথ্য জানান।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগেসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলাদা বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

মাহ্‌দী আমিন বলেন, প্রথম দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকগুলোতে আঞ্চলিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, উন্নয়ন অংশীদারত্ব ও বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও বহুমুখী করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। মাহ্‌দী আমিন বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে বিজয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এরদোয়ান। তাকে তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণও জানান।

ভুটান ও মালদ্বীপের সঙ্গে বৈঠকে পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

ইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে দেশটির চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। এক্ষেত্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ মুখপাত্র।

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিনের কর্মসূচিতে রোহিঙ্গা সংকট বিশেষ গুরুত্ব পায়। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূতের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।