নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কাজ করবে খুলনা-ইতালির মিলান

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

নিরাপদ খাদ্য ও খাদ্য অপচয় রোধে ইতালির মিলান সিটির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে খুলনা সিটি করপোরেশন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো।

সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

মিলানের সঙ্গে খুলনা সিটির ফুড সেফটি নিয়ে কাজ

সাক্ষাতে ইতালির মিলান সিটির সঙ্গে বাংলাদেশের একটি সিটি করপোরেশনের ফুড সিকিউরিটি ও খাদ্য অপচয় রোধে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, মিলান সিটি ২০১৫ সাল থেকে ফুড সেফটি নিয়ে কাজ করছে। খাদ্য যাতে অপচয় না হয় এবং খাবার যাতে নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উনারা একটা শহরকে চয়েস দিতে বলেছেন আমাদেরকে। যে আমাদের একটা আরবান সিটির সঙ্গে মিলান যৌথভাবে এই ফুড সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করতে চায়। আমরা সেই ক্ষেত্রে মিলানের সঙ্গে সিমিলার মিল রেখে আমরা খুলনা সিটিকে চয়েস দিয়েছি যে, খুলনা সিটি করপোরেশনের সঙ্গে তারা এই বিষয় নিয়ে কাজ করতে পারে।’

বাংলাদেশের স্থপতিদের প্রশিক্ষণ ও তাদের নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন ইতালির রাষ্ট্রদূত।

মীর শাহে আলম বলেন, ‘বাংলাদেশের স্থপতিদের উনারা প্রশিক্ষণ দিতে চান এবং স্থপতিদের নিয়ে কাজ করতে চান। সেই ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং কিছু স্থপতিদের উনারা সে দেশে ইনভাইটেশন করেছেন, আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।’ তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমরা বলেছি যে, ঠিক আছে, সংখ্যা এবং পরিমাণ জানালে আমরা পাঠিয়ে দেব।’

ইতালিয়ান ভাষা শেখাতে সহযোগিতা করবে ইতালি

বাংলাদেশ সরকারের ৩১ দফা ইশতেহারে দক্ষতা উন্নয়ন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং জনশক্তি রপ্তানির বিষয় রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতালিতে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে ইতালিয়ান ভাষা শেখানোর বিষয়ে দেশটির সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

ইতালি এ বিষয়ে সহযোগিতায় সম্মত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের একটি ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে প্রশিক্ষক তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। ইতালি থেকে প্রশিক্ষক এসে বাংলাদেশের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উনি এটার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন যে, ঠিক আছে, বাংলাদেশের যেকোনো একটা ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে তারা ওখান থেকে প্রশিক্ষক পাঠাবে এবং সেই প্রশিক্ষকের মাধ্যমে আমাদের কিছু প্রশিক্ষক তৈরি হবে।’