জাতীয় গ্রিডে দিনে ২ হাজার ৪৪৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দিচ্ছে পেট্রোবাংলা

প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ২৩:২৩ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

গ্যাস সংকট কমাতে সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) জাতীয় গ্যাস গ্রিডে ২ হাজার ৪৪৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করেছে প্রতিদিন। শনিবার (১৫ আগস্ট) বাসসকে এ তথ্য জানান পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান।

তিনি বলেন, শিল্প উৎপাদন ও বিদ্যুৎ উৎপাদন নিরবচ্ছিন্ন রাখতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করতে আমরা জাতীয় গ্যাস গ্রিডে আরও বেশি পরিমাণে গ্যাস সরবরাহের চেষ্টা করছি।

পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান আরও বলেন, সাম্প্রতিক কারিগরি ত্রুটি ও আবহাওয়াজনিত সমস্যার পর এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিট গ্রুপ পরিচালিত দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে আমদানি করা এলএনজি জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিপরীতে বর্তমানে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক ২ হাজার ৪৪৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে ১ হাজার ৬১৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি থেকে ৮২৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আসছে।

মোট সরবরাহকৃত গ্যাসের মধ্যে শেভরন ৮৭০ মিলিয়ন ঘনফুট, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) ৪৭৭ মিলিয়ন ঘনফুট, সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল) ১৩৯ মিলিয়ন ঘনফুট, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) ৯৬ মিলিয়ন ঘনফুট এবং টাল্লো ৩৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বলেন, এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউকে পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করতে হলে এটি বন্ধ রেখে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

এদিকে, আজ জাতীয় গ্যাস গ্রিডে আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ বেড়ে ৮২৮ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সমস্যার পর এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিট গ্রুপ পরিচালিত দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালই পুনরায় চালু হওয়ায় এই সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, সামিটের টার্মিনাল থেকে প্রায় ৪৫০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। বাকি গ্যাস মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে আসছে।


আমার বার্তা/এমই