মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নেওয়া হচ্ছে না থালাপতি বিজয়ের
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১১:২৭ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন:

সদ্য সমাপ্ত তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম টিভিকে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ নেওয়ার কথা বৃহস্পতিবার (৭ মে)। কিন্তু রাজ্যের গভর্নর রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকর এখনো বিশ্বাস করেন না যে সরকার গঠনের মতো প্রয়োজনীয় সংখ্যা টিভিকের আছে। আর এ কারণেই আজ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া হচ্ছে না থালাপতির।
বর্তমান আনুষ্ঠানিক অবস্থান ব্যাখ্যা করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, কংগ্রেস বিজয়ের দলকে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ও অন্যান্যদের যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন পেতে বিজয়ের দলের আরও এক-দুই দিন সময় লাগতে পারে।
এরই মধ্যে রাজ্যপাল বিধানসভা ভেঙে দিয়েছেন। এরপর তিনি কেরালার উদ্দেশ্যে রওনা হন, যেখানে তিনি রাজ্যপাল হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। বুধবার (৭ মে) রাজ্যপালের সঙ্গে এক বৈঠকে বিজয় পরবর্তী সরকার গঠনের দাবি পেশ করেন। সূত্র জানিয়েছে, টিভিকে সাধারণ সম্পাদক আধভ অর্জুনও তাদের আইনি দলকে সঙ্গে নিয়ে রাজ্যপালের সাথে দেখা করবেন।
তামিলনাড়ুর সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনে ১০৮টি আসনে জয়লাভ করে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বিজয়ের টিভিকে। ১১৮ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য তাদের আরও অন্তত ১০টি আসনের প্রয়োজন ছিল। কংগ্রেসের পাঁচটি আসনের সমর্থনে এই সংখ্যা ১১২-তে পৌঁছেছে (বিজয় যে দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন তার মধ্যে একটি বাদ দিয়ে), যার ফলে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছোঁয়ার জন্য টিভিকের আরও ৬টি আসন প্রয়োজন।
পরবর্তী স্বাভাবিক পদক্ষেপ হলো বিজয়কে বিধানসভায় তার সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। কংগ্রেস ছাড়া আর কারা নির্দলীয় প্রার্থীসহ বিজয় শিবিরের অংশ হবে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই।
দুটি আসনে জয়ী বিদুথালাই চিরুথাইগল কাচি (ভিসিকে) পার্টির নেতাদের বুধবার (৭ মে) চেন্নাইয়ে বৈঠক করার কথা ছিল। কিন্তু সেই বৈঠক শুক্রবার (৮ মে) পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, বাম দল সিপিআই ও সিপিআই (এম) কী করা উচিত তা ঠিক করতে শুক্রবার পর্যন্ত সময় চেয়েছে।
বামদের চারটি আসনের মধ্যে দুটি সিপিআই ও দুটি সিপিআই(এম)- এর। নির্বাচনে সর্বশেষ ক্ষমতায় থাকা ডিএমকে ৫৯টি আসন, এআইএডিএমকে ৪৭টি, পিএমকে ৪টি, আইইউএমএল ২টি, সিপিআই ২টি, সিপিআই(এম) ২টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি, ডিএমডিকে ও এএমএমকে একটি করে আসন পেয়েছে। - সূত্র: এনডিটিভি
