টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কু-প্রস্তাব, তিক্ত অভিজ্ঞতা জানালেন অভিনেত্রী

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫১ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

আকাঙ্ক্ষা চৌধুরী। ছবি: ইন্সট্রাগ্রাম

রিয়েলিটি শো লক আপ ২ থেকে বিদায় নিলেও আলোচনায় রয়েছেন আকাঙ্ক্ষা চৌধুরী। শো ছাড়ার পর নিজের জীবনের এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন তিনি। আকাঙ্ক্ষার দাবি, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বিনোদন অঙ্গনের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছ থেকে কাস্টিং কাউচের শিকার হয়েছিলেন তিনি।

আকাঙ্ক্ষা জানান, একটি বিউটি পেজেন্টে অংশ নিতে তার ১ থেকে ২ লাখ রুপির প্রয়োজন ছিল। পোশাক, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য খরচ মেটানোর মতো সামর্থ্য তখন তার পরিবারের ছিল না। ফলে তিনি পেজেন্ট অঙ্গনের এক পরিচিত ব্যক্তির কাছে আর্থিক সহায়তা চান। সেখানেই ঘটে বিপত্তি।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, তিনি ওই ব্যক্তিকে বলেছিলেন, অর্থের বিনিময়ে কয়েক মাস কর্মী হিসেবে কাজ করতেও রাজি আছেন। পরে ওই ব্যক্তি তাকে নিজের বাসায় ডাকেন। আগে সেখানে যাওয়ার অভিজ্ঞতা থাকায় কোনো সন্দেহ না করে তিনি সেখানে যান।

আকাঙ্ক্ষা বলেন, ‘আমি পৌঁছানোর পর তিনি প্রথমে আমাকে জড়িয়ে ধরতে এগিয়ে আসেন। কিন্তু আলিঙ্গনের বদলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে জোর করে ধরে ফেলেন। তিনি বয়স্ক ছিলেন। তাই আমি তার হাত সরিয়ে নিজেকে ছাড়িয়ে নিই। এরপর ওই ব্যক্তি আমাকে বলেন, তুমি যদি আরও আগে আমার কাছে আসতে, তাহলে ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক বড় হতে পারতে।’

এরপর তিনি আপত্তিকর প্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ করেন আকাঙ্ক্ষা। তার ভাষ্য, ‘ওই ব্যক্তি আমাকে বলেন, আমি তোমাকে এই টাকা দেব, কিন্তু এর বিনিময়ে তোমাকে আমার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করতে হবে। এমনকি মাসে কতবার শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে, সেটিও শর্ত হিসেবে জানিয়ে দেন তিনি।’

অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি যদি তার আসল উদ্দেশ্য জানতাম, তাহলে কখনো দেখা করতে যেতাম না। প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর ওই ব্যক্তি আমাকে বলেছিলেন, দুই বছরের মধ্যে এই সিদ্ধান্তের জন্য তিনি অনুতপ্ত হবেন।’

আকাঙ্ক্ষার ভাষায়, ‘সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে আমার কোনো আফসোস নেই। ছয় মাস পর আমি একটি বড় শোয়ের অংশ হই। আর এক বছরের মধ্যেই দেশের অন্যতম বড় একটি মঞ্চে দাঁড়াই। আমার সাফল্য ও পরিচিতি সম্পূর্ণ নিজের পরিশ্রমের ফল।’

তবে আকাঙ্ক্ষা চৌধুরী ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেননি। তার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির কোনো বক্তব্যও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। সূত্র: এনডিটিভি


আমার বার্তা/এমই