উচ্চ আদালত-ইউজিসি কাউকে মানছে না সাউদার্ন বিশ্ববিদ্যালয়!

ভিসি নিয়ে জটিলতা

প্রকাশ : ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৩ | অনলাইন সংস্করণ

  আমার বার্তা অনলাইন:

চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও উচ্চ আদালতের নির্দেশনা না মেনে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকার কর্তৃক নিয়োগ দেওয়া প্রশাসককে কোনো কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না সেখানে। এসব কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনে নানা অস্থিরতা চলছে।
 
গত বছরের ২৫ মে সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ফারুককে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রশাসক নিয়োগ করে সরকার। এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট করা হয়। রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট তার নিয়োগ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। পরে ইউজিসির করা লিভ টু আপিলের এক শুনানিতে আপিল বিভাগ প্রশাসক নিয়োগকে বৈধ বলে রায় দেন। একই সঙ্গে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের তিন সদস্যকে অযোগ্য ও অন্য সদস্যদের নিষ্ক্রিয় ঘোষণা করেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে বলে পর্যবেক্ষণও দেন আপিল বিভাগ।

অভিযোগ উঠেছে, আদালতের এ নির্দেশ সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে নিজেদের ‘বানানো’ উপাচার্য (ভিসি) দিয়ে প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম চালাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। প্রশাসক নিয়োগ পেলেও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ফারুককে একটুও সহযোগিতা করেনি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসন। এক বছরে তিনি মাত্র দুই দিন অফিস করেছেন। বর্তমানেও সব ধরনের আর্থিক ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রশাসককে উপেক্ষা করা হচ্ছে। কোনো নোটিশের অনুলিপিও তাকে দেওয়া হচ্ছে না।
 
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়টির ট্রাস্টি বোর্ডের একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, সনদ জালিয়াতি, তহবিল আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ইউজিসির তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে এবং এ বিষয়ে দুদকে মামলাও হয়েছে। তা সত্ত্বেও উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ ও সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর না করে একই ট্রাস্টিবোর্ড প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করে যাচ্ছে।