২৮ ঘণ্টা যানজট-ধীরগতি শেষে সচল সিরাজগঞ্জ মহাসড়ক
প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬, ১২:২৬ | অনলাইন সংস্করণ
আমার বার্তা অনলাইন

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ ও একাধিক যানবাহন বিকল হওয়ার কারণে দীর্ঘ প্রায় ২৮ ঘণ্টা যানজট ও ধীরগতির পর অবশেষে স্বাভাবিক হয়েছে সিরাজগঞ্জ মহাসড়ক ও যমুনা সেতু এলাকায় যান চলাচল।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ভোর রাত ৩টা থেকেই যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের সিরাজগঞ্জ অংশে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। এর ফলে সয়দাবাদ ও কড্ডারমোড় এলাকা থেকে শুরু হয়ে যানজট ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বিভিন্ন স্থানে। যমুনা সেতুর পশ্চিম টোল প্লাজা থেকে সায়দাবাদ রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, যমুনা সেতুর পূর্ব পাশে টাঙ্গাইল এলাকায় যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পাশাপাশি সেতু ও মহাসড়কে একাধিক যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এ সময় যানবাহনের চাপ সামাল দিতে যমুনা সেতুর চার লেনই ঢাকাগামী যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছিল।
ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় রওয়ানা হওয়া সাংবাদিক মাহাবুর আলম সোহাগ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাত ১টায় গাড়িতে উঠে সকাল ৬টায় এসে পৌঁছালাম সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায়৷ সিরাজগঞ্জে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই যানজট শুরু। জানিনা ঢাকায় কবে পৌছাবো। নাকি ঠাকুরগাঁও আবার ব্যাক করব।
তবে রাতভর যানজট ও ধীরগতি শেষে শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার পর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।
শনিবার বেলা ১১টায় যমুনা সেতু পশ্চিম থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, সকাল ৮ টার পর থেকে সিরাজগঞ্জ মহাসড়ক একদম নরমল হয়ে গেছে। কোনো যানজট বা ধীরগতি নেই।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, একাধিক যানবাহন যমুনা সেতুতে বিকল হয়ে যাওয়ায় যানবাহন পারাপারে ধীরগতি হয়ে গিয়েছিল। ব্যাপক যানবাহনের চাপ ছিল। সকালে ৮ টার দিক থেকে সময়ের সাথে সাথে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে মহাসড়ক।
